জেলাখানা পরিদর্শনের অনুমতি পাননি প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ
২২ অক্টোবর, ২০১২ ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ
-

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকেদেশটির বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা জেলাখানাপরিদর্শনে অনুমতি দেয়নি। রাজধানী তেহরানের উত্তর দিকে অবস্থিত ঔ জেলখানায় তার একজন খুব কাছের সহযোগীকে আটক করার পর তাকেসেখানে যেতে বলা হলেও পরে তা স্থগিত করা হয়।

বিচার বিভাগ থেকে বলা হয়েছে এ মুহূর্তে জেলখানায় পরিদর্শনে যাওয়াতার জন্য সময়োপযোগী হবে না।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ তার চেয়ে দেশের অর্থনীতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তার কাছে বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে নিউইয়র্ক ছিলেন তখন বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা তার খুব ঘনিষ্ঠ একজন সহকারীকে আটক করে এবং জেলে পাঠায়।

গত মাসে আটক হওয়া ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগছিল, তিনি ইরানের কয়েকজন নেতাকে অপমান করেছেন।

সে ঘটনার পর এ মাসের শুরুতে মি. আহমাদিনেজাদকে জেল খানা পরিদর্শনের জন্য যেতে বলা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তরে অবস্থিত এই জেলখানাটি নাম এভিন জেলখানা।

কুখ্যাত এভিন জেলখানা নামে সবাই চেনে। কিন্তু এখন ঐ বিচার বিভাগ থেকে বলা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট এখন ঐ জেলখানা পরিদর্শনে যেতে পারবেন না যেখানে তার ঘনিষ্ঠ সহকারী আটক রয়েছেন।

বিচার বিভাগের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন এই মুহূর্তে দেশের বেশ কিছু গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় রয়েছে যেগুলো প্রেসিডেন্ট এর মনোযোগ দেওয়া উচিত।

তার মধ্যে দেশের অর্থনীতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। এই মুখপাত্র আরও বলেছেন এইমুহূর্তে প্রেসিডেন্টের জেলখানা পরিদর্শনের ব্যাপারটি, তার বিবেচনা বোধের ভুল ব্যাখ্যা দাড় করানো হবে।

এই ঘটনা এমন এক সময় ঘটল যার আট মাস পর প্রেসিডেন্টআহমাদিনেজাদের ক্ষমতার সময় সীমা শেষ হবে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আলি আকবর সালেহি বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার কোন পরিকল্পনা আপাতত ইরানের নেই।

কিন্তু তিনি বলেছেন তাদের পরমাণু কর্মসূচীর ইস্যুতেজাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র এবং জার্মানির সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যেতে রাজি আছে।

শনিবারে দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস এ প্রকাশিত এক খবরে বলা হয় তারা কিছু তথ্য পেয়েছে যেটাতে ধারণা করা হচ্ছে আমেরিকা এবং ইরান পরমাণু কর্মসূচী ইস্যুতে নিজেদের মধ্যে গোপনে আলোচনা করতে রাজি হয়েছে।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন তার জানা মতে আমেরিকার আসন্ন নির্বাচনের পর এই দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনায় বসার ব্যাপারে কেন চুক্তি হয়নি।

পাঠকের মন্তব্য